সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
মতামত

স্মৃতি লিখন: কবি সৈয়দ আবদুস সাদিক

কাজী আখতার হোসেন
কাজী আখতার হোসেন

মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪ ১:০৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
১৯৭৬ সনে কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরীতে কুমারখালী সাহিত্য পরিষদের কবিতা পাঠের অনুষ্ঠান চলছিল। কুষ্টিয়া ও কুমারখালীর বেশ কয়েকজন কবি তাতে অংশ নেন। সে সময় এই জাতীয় অনুষ্ঠানগুলোর সঞ্চালনার দায়িত্ব সাধারণত আমি পালন করতাম।

আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কুষ্টিয়ার কবিদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত সুকুমার দা এইসব ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন।


পাবলিক লাইব্রেরির তখনকার ক্ষুদ্র পাঠকক্ষের চেয়ার গুলো আমরা একদিকে গুছিয়ে রেখে অনুষ্ঠানের জায়গা করে নিতাম। পুরিসর ছোট হলেও এক মায়াময় পরিবেশ আমাদেরকে হৃদয়গ্রাহী করে তুলতো। সেই সব দিনের স্মৃতি কখনো ভুলবো না। কবি অশোক সাহা কে দিয়ে সাধারণত আমি উদ্বোধন করাতাম কবিতা পাঠ।


সেই সময় এই অনুষ্ঠান চলাকালে একজন আমাদের মাঝে ঢুকে বসলেন। আমি তাকে আগে থেকেই চিনতাম সেই ১৯৬৫ সন থেকে। দরগাবাড়ির নাতি ছেলে সৈয়দ আবদুস সাদিক। তখন খুলনায় থাকতেন। বললেন তিনি কবিতা পাঠ করবেন এবং করলেনও পরপর দুটো কবিতা।


আমাদের সেই সময়ে পঠিত কবিতাগুলোর উপর তুমুল আলোচনা হতো। দেওয়ান সাহেব এবং আমরা অনেকেই আলোচনা করতাম। সাদিক ভাইয়ের পঠিত কবিতার উপরে তাৎক্ষণিকভাবে আমি অনেকক্ষণ আলোচনা করি। আমার আলোচনায় উনি খুবই খুশি হন এবং বলেন তুমি যা বললে এগুলো আমাকে একটু লিখে পরে জানিও। সেই আমার প্রথম কবি সৈয়দ আবদুস সাদিকের সঙ্গে কাব্য যোগ স্থাপন।


আমার জানা ছিল উনার ছাত্র জীবন কেটেছে করাচি ও কুষ্টিয়াতে। খুলনার কবিতাঙ্গনে একসময় তিনি ছিলেন বিশিষ্ট একটি নাম। সৈয়দ সোহরাব আলী ও সৈয়দ আব্দুস সাদিক তখন খুলনার দুই জনপ্রিয় কবি।


সাদিক ভাইয়ের দিন রাতের বেশিরভাগ সময় সম্ভবত কবিতার চিন্তাতেই কাটতো। ফেসবুকে তার চেয়ে বেশি কবিতা খুব কম লোকই লিখেছেন। একজন প্রকৃত কবির সবসময়ই নিজের কবিতার প্রতি থাকে অসম্ভব রকম দুর্বলতা। উনারও ছিল। যেকোনো পরিবেশে কবিতা পড়তে তার কোন কার্পণ্য ছিল না। আমাদের দেশে কবিতায় কিছুটা নাম করলে কবিরা সাধারণত নিজেদেরকে বড় ভাবতে শুরু করে এবং সব জায়গাতে কবিতা পড়লে দাম কমে যাবে মনে করেন। সাদিক ভাই ছিলেন ব্যতিক্রমী। ফুটপাথ হোক কোন জলসা ঘরে হোক যে কোন স্থানেই তিনি কবিতা পাঠ করে মজা পেতেন। যাকে বলে নিবেদিত প্রাণ কবি।


কবির সঙ্গে আরও অনেকের মতো আমারও রয়েছে প্রচুর স্মৃতি। গত বছর কবিকে বাংলা একাডেমী পুরস্কার দেয়া যায় কিনা তা নিয়ে আমি কিছুটা এর ওর কাছে বলাবলি করেছিলাম ; অন্তর্গত তাগিদেই।


আজ কবি আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু কুষ্টিয়া কুমারখালীর কাব্য প্রিয় মহলে এখনো শোকের ছায়া বিদ্যমান। আমার সঙ্গে টেলিফোনে মাঝে মাঝেই আলাপ হত নানা বিষয়ে। আজকে কবির স্মরণে কি করা হবে তার একটি প্রস্তুতি সভা হয়েছে যা লিটন আব্বাস আমাকে জানিয়ে ছিলেন। যেটাই করা হোক শোক সন্তাপ নিয়ে দূরে থেকে হোক কাছে যেয়ে হোক আপনাদের সঙ্গে আমি আছি।

 লেখক: কবি ও সাবেক সচিব

৬৪৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
মতামত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন