সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
সারাদেশ

‘মাইন্ড বদলালে রিয়েলিটি বদলায়’ — ড. জহির বিশ্বাসের কসমিক মেডিটেশনকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এখন সময়ের দাবি

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ৪:৪২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
“চেঞ্জ ইয়োর মাইন্ড, চেঞ্জ ইয়োর রিয়েলিটি” — এই একটি বাক্যেই দেড় যুগের গবেষণা, কর্পোরেট ট্রেনিংয়ের ঘাম আর হাজারো মানুষের জীবন বদলের গল্প লুকিয়ে আছে। এই দর্শনের প্রবক্তা ড. জহির বিশ্বাস। বাংলাদেশে মেডিটেশনকে ‘ধর্মীয় আচার’ বা ‘অবসরের বিলাসিতা’র তকমা থেকে বের করে ‘পারফরম্যান্স সায়েন্স’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পথিকৃৎ তিনি।

ড. জহির বিশ্বাস: একাডেমিক, কর্পোরেট ও সৃজনশীল জগতের বিরল সমন্বয়

বাংলাদেশের অন্যতম মাল্টি-মেথড মেডিটেশন গবেষক ও কমিউনিকেশন এক্সপার্ট ড. জহির বিশ্বাস কাজ করেছেন জর্ডান রিভার ফাউন্ডেশন, UNRWA, কারিতাস, ইউনিসেফ ও বিশ্বব্যাংকের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাঁকে দিয়েছে একাডেমিক গভীরতা।

আবার সাংবাদিকতা, নাটক, টেলিভিশন, চলচ্চিত্রে কাজের অভিজ্ঞতা এবং দেশ-বিদেশের সাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কারপ্রাপ্তি প্রমাণ করে — তিনি মানুষের আবেগ, প্রকাশ ও মনস্তত্ত্ব বোঝেন গভীর থেকে। এই তিন জগতের সমন্বয়েই তিনি হয়ে উঠেছেন একজন ‘ট্রান্সফরমেশনাল ট্রেইনার’।

বর্তমানে নিজের প্রতিষ্ঠান ‘ড. জহির কসমিক মেডিটেশন’-এর মাধ্যমে তিনি হাজারো মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন আনছেন। তাঁর মতে, মেডিটেশন শুধু চোখ বন্ধ করে বসে থাকা নয় — এটি চিন্তার পুনর্গঠন, আবেগের নিয়ন্ত্রণ এবং আত্মার একধরনের পুনর্জন্মের প্রক্রিয়া।

মেডিটেশন এখন ‘কোর স্কিল’ — কর্পোরেট বাংলাদেশ সাক্ষী

আজকের প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে শুধু ডিগ্রি বা টেকনিক্যাল স্কিল দিয়ে হয় না। ডেডলাইন, টার্গেট, টিম কনফ্লিক্ট — সব মিলিয়ে তৈরি হয় সিদ্ধান্তহীনতা ও বার্নআউট। ড. জহির বিশ্বাস দেখিয়েছেন, এখানেই মেডিটেশন হয়ে ওঠে core soft skill

তাঁর ট্রেনিং নেওয়া কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ থেকে উদ্যোক্তারা বলছেন —

- Communication হয়েছে শার্প, রিঅ্যাক্টিভ না হয়ে রেসপন্সিভ হয়েছেন।

- Emotional Intelligence বেড়েছে, রাগ-ইগো নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

- হাই-পারফরম্যান্স মাইন্ডসেট তৈরি হয়েছে, অল্প সময়ে ফোকাস বেড়েছে।

- স্ট্রেস থাকলেও সিদ্ধান্তে তার প্রভাব পড়ছে না।

অর্থাৎ মেডিটেশন এখন ‘পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশন টুল’। মনোযোগ, আবেগ ও সিদ্ধান্ত — এই তিন স্তরে একসাথে কাজ করে এটি।

সিলভা-কোয়ান্টাম পেরিয়ে ‘কসমিক’: গবেষণাভিত্তিক মাল্টি-মেথডঃ

বাংলাদেশে সিলভা মেথড ও কোয়ান্টাম মেথড পরিচিত হলেও ড. জহির বিশ্বাস এসব পদ্ধতির ইতিবাচক দিক বিশ্লেষণ করে তৈরি করেছেন প্রয়োগযোগ্য মাল্টি-মেথড অ্যাপ্রোচ। তাঁর ৯ ধাপের ‘কসমিক মেডিটেশন’ মডিউলে আছে Inner Clearing থেকে শুরু করে Wealth Mastery & Manifestation পর্যন্ত। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীর জন্য ‘মাইন্ড ম্যাপিং সেশন’-এর মাধ্যমে কাস্টমাইজড রুটিন তৈরি হয়।

কেন দরকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি?

১. জনস্বাস্থ্যের বোঝা কমবে: WHO-এর মতে বাংলাদেশে ১৮% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ উদ্বেগ-বিষণ্ণতায় ভোগে। স্ট্রেসজনিত হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বাড়ছে। মেডিটেশনকে প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের অংশ করলে ওষুধ-নির্ভরতা ও চিকিৎসা ব্যয় কমবে।

২. উৎপাদনশীলতা বাড়বে : গার্মেন্টস থেকে আইটি — সব সেক্টরে বার্নআউট মহামারি আকার নিচ্ছে। অফিস-আওয়ারে ১০ মিনিটের গাইডেড মেডিটেশন প্রোডাক্টিভিটি ২৩% পর্যন্ত বাড়াতে পারে — গ্লোবাল স্টাডি বলছে।

৩. তরুণ সমাজকে দিশা দেবে: মাদক, আত্মহত্যা, ডিভাইস অ্যাডিকশন — এর মূলে আছে মনোযোগ ও আবেগের নিয়ন্ত্রণহীনতা। স্কুল-কলেজে ‘মাইন্ডফুলনেস কারিকুলাম’ চালু করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মানসিকভাবে শক্ত হবে।

৪. বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় : ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ‘ওয়েলনেস ট্যুরিজম’ থেকে বিলিয়ন ডলার আয় করছে। কসমিক মেডিটেশনের মতো দেশীয় পদ্ধতিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে ‘বাংলাদেশ ওয়েলনেস হাব’ হিসেবে ব্র্যান্ডিং সম্ভব।

‘জন থেকে জনে’ ছড়িয়ে দিতে হবে গুরুত্ব

সরকারি স্বীকৃতি পলিসি লেভেলের কাজ। কিন্তু মেডিটেশনের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছাবে ‘জন থেকে জনে’। এজন্য দরকার তিনটি উদ্যোগ:

১. প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ন্যাশনাল মাইন্ডফুলনেস বোর্ড’ গঠন করে ড. জহির বিশ্বাসের মতো গবেষকদের নিয়ে স্ট্যান্ডার্ড কারিকুলাম ও সার্টিফিকেশন চালু করা।

২. শিক্ষা ও কর্পোরেটে অন্তর্ভুক্তি : NCTB-র মাধ্যমে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘মন ও আবেগ ব্যবস্থাপনা’ বিষয় চালু করা। BGMEA, BASIS, FBCCI-কে উৎসাহ দেওয়া যেন সদস্য প্রতিষ্ঠানে মেডিটেশন ব্রেক বাধ্যতামূলক হয়।

৩. কমিউনিটি মুভমেন্ট : ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, মসজিদ-মন্দির-গির্জা ভিত্তিক কমিউনিটি ক্লাব, ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে সপ্তাহে একদিন ফ্রি কসমিক মেডিটেশন সেশন। ড. জহিরের প্রশিক্ষিত ট্রেইনাররাই এটা ছড়িয়ে দিতে পারেন।

➤এক কথায় বলা যায় "মন সুস্থ তো দেশ সুস্থ"

ক্যারিয়ারে সাফল্য মানে শুধু বেশি আয় নয়; মানসিক স্থিরতা, আত্মবিশ্বাস ও তৃপ্তিও জরুরি। মন যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে লক্ষ্যও নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় বাস্তবতার পরিবর্তন।

ড. জহির বিশ্বাস গত দেড় যুগ ধরে একাই লড়ছেন। এবার রাষ্ট্রকে পাশে দাঁড়াতে হবে। কসমিক মেডিটেশনকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও শ্রম নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করে ‘মনন নির্ভর উন্নয়ন’র পথে হাঁটতে হবে। কারণ স্মার্ট দেশ গড়তে স্মার্টফোন যথেষ্ট নয় — স্মার্ট মাইন্ড লাগবে।আর সে মাইন্ড সেটআপটা ড. জহির বিশ্বাসের মতো গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করে একটি সহজ সূত্র তৈরি করেছেন যা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে এটি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন গঠন ও সে জীবনটা সহজভাবে কাটানো সম্ভব আর সেই মাইন্ড তৈরির বিজ্ঞানটাই ড. জহির বিশ্বাস দীর্ঘ গবেষণার ফসল।

এখন দরকার শুধু রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আর আপনার-আমার মুখে মুখে এর গুরুত্ব ছড়িয়ে দেওয়া। ‘চেঞ্জ ইয়োর মাইন্ড, চেঞ্জ ইয়োর রিয়েলিটি’ — স্লোগানটাকে জাতীয় বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার এখনই সময়।

১৭০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন