নির্বাচনে ‘ধানের শীষে’ গণজোয়ার: টুটুল আইচকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আস্থা
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৬:৪২ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভূমিকা ও অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ হিন্দু খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন ফ্রন্টের যুগ্ম আহবায়ক টুটুল আইচকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম হয়েছে।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তার কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলা হয়েছে, ৫ আগস্টের পর দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিজেদের নিরাপদ মনে করেছেন এবং এই নিরাপত্তাবোধ ও আস্থার পেছনে টুটুল আইচের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা—ভবিষ্যতেও তিনি একই রকম ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল মানসিকতা বজায় রাখবেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের স্বার্থরক্ষায় সোচ্চার থাকবেন।
নির্বাচনে ভূমিকা নিয়ে আলোচনা
বক্তব্যে আরও দাবি করা হয়, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভোটের গণজোয়ার তৈরিতে টুটুল আইচ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার সাংগঠনিক যোগাযোগ, মাঠপর্যায়ের তৎপরতা এবং বিভিন্ন সামাজিক-ধর্মীয় প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি বড় অংশের ভোটারকে সংগঠিত করা সম্ভব হয়েছে বলে সমর্থকদের অভিমত।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটব্যাংক যেকোনো নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় নেতারা মাঠপর্যায়ে মতামত গঠনে ভূমিকা রাখেন। যদিও এ বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে—অনেকে মনে করেন, ভোটের ফলাফল নির্ধারণে একাধিক সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উপাদান কাজ করে।
প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ ভূমিকা
সমর্থকদের মতে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি চলমান প্রক্রিয়া। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও টুটুল আইচ একইভাবে সামাজিক সম্প্রীতি ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবেন।
তবে এ বিষয়ে টুটুল আইচের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযোজন করা হবে
১০২ বার পড়া হয়েছে
