চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
বৃহস্পতিবার , ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
জামায়াতে ইসলামী আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, দলীয় নেতারা দুর্নীতি প্রসঙ্গে অভিযোগ করার আগে তাদের নিজস্ব দায়িত্বকেও দেখা উচিত।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা-১২ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী সাইফুল আলম খানের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, 'দু-একজন নেতা এখন বলছেন আমরা অসৎ ছিলাম, আপনারা সৎ ছিলেন, কেন ছেড়ে গেলেন না? আমরা ছেড়ে যাইনি অন্তত তিনটি মন্ত্রণালয় বাঁচাতে, যাতে দুর্নীতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।' তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতের সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ বিএনপি সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে থাকলেও কেউ তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলতে পারেনি।
জাতীয় রাজনীতি ও দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, 'চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে। যারা চাঁদাবাজি করবে, তাদের বলতে হবে তারা চাঁদাবাজ। এটি অনিবার্য।' তিনি কৃষক, পরিবহন মালিক, হোলসেল ও রিটেইলার ব্যবসায়ীদের চাঁদাবাজির কারণে ক্ষতির বিষয়েও উল্লেখ করেন এবং দেশের ব্যবসায়ীদের রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য ক্ষমতায় এলে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের চাঁদাবাজদের ৯০ শতাংশ কার্যক্রম বন্ধ করা হবে এবং বাকি ১০ শতাংশকে প্রথমে সতর্ক করা হবে। এরপরও যারা বুঝবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনকে ঘিরে নানাবিধ নাশকতা ও সহিংসতার বিষয়ে মন্তব্য করে তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে জনসাধারণের আস্থা অর্জনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ যেন একে অপরকে সম্মান করে এবং গণতন্ত্রের পথ অনুসরণ করে।
জনসভায় জামায়াত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ, ডাকসু ভিপি মো. আবু সাদিক, জাতীয় নাগরিক পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। শফিকুর রহমান সাইফুল আলম খানের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং জনগণকে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
১০৩ বার পড়া হয়েছে
