রাঙামাটিতে নির্বাচনী উত্তাপ কম, বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল
বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ৪:৩৬ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
রাঙামাটি জেলা আসনে ভোটের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, নির্বাচনী মাঠে তেমন উত্তাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোটারদের ধারণা অনুযায়ী এবার তীব্র প্রতিযোগিতা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়িদের আঞ্চলিক দল এবারের নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ায় এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী তুলনামূলক দুর্বল হওয়ায় বিএনপি প্রার্থী অনেকটাই নিশ্চিত জয়ের পথে।
দলীয় কার্যালয়ে গত ২২ জানুয়ারি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট দিপেন দেওয়ান জানান, জেএসএসের সঙ্গে বিএনপির কোনো আঁতাতের ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, “বিএনপি একটি বড় দল। আমরা কাউকে ছোটভাবে দেখি না, প্রতিটি প্রার্থীকে মোকাবেলা করে জয় নিশ্চিত করা সম্ভব।”
রাঙামাটির ১০ উপজেলাকে নিয়ে গঠিত এই জেলা দেশের বৃহত্তম জেলা হলেও, সংসদীয় আসন মাত্র একটি। পাহাড়ি ভোটে আঞ্চলিক দলগুলোর প্রার্থী বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। তবে এবার পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ভোটে অংশ না নেওয়ায় ভোটের হিসাব বদলে গেছে।
১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জামায়াত মনোনীত অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদের পরিবর্তে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক মনোনয়ন পান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ প্রার্থী তুলনামূলকভাবে দুর্বল হওয়ায় বিএনপির জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়ছে।
জামায়াতের রাঙামাটি জেলা সেক্রেটারি মনসুরুল হক বলেন, “প্রার্থী পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও ১১ দলীয় জোটে কোনো সমস্যা নেই। পাহাড়িদের সাধারণ ভোটাররা এখন উন্মুক্ত। এবার পাহাড়ি বাঙালি সকলেই ১১ দলীয় জোটকে সমর্থন করবে।”
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাঙামাটির আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা বলেন, “বিএনপির জয় সহজ হবে না। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট শক্তিশালী, এবং জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।”
নির্বাচনী মাঠে ভোটারদের আগ্রহ কম থাকলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের ভোটে বিএনপি প্রার্থী অধিকাংশ ভোট নিশ্চিতভাবে পেতে পারেন, কারণ প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জোটের প্রার্থী তুলনামূলক দুর্বল।
২০১ বার পড়া হয়েছে
