সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
জাতীয়

জুলাই যোদ্ধাদের অধ্যাদেশ: বাহিনীর সদস্য হত্যায় দায়মুক্তির সুযোগ থাকছে না

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে ওই সময়ে সরকারি কোনো বাহিনী বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সদস্য হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই দায়মুক্তির আওতায় পড়বেন না।

এ ক্ষেত্রে সরাসরি মামলা না হলেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত পরিচালিত হবে। কমিশনের তদন্তে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রতীয়মান হলে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। ওই প্রতিবেদনকে পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন হিসেবে গণ্য করে আদালত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা দিতে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, এই অধ্যাদেশ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের আত্মত্যাগের প্রতি সরকারের ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতার প্রতিফলন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের লক্ষ্যে পরিচালিত সব কর্মকাণ্ডকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ হিসেবে গণ্য করা হবে। এসব কর্মকাণ্ডের জন্য কোনো গণ-অভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না। আন্দোলনকালীন সময়ে দায়ের হওয়া পুরনো সব মামলাও প্রত্যাহারের বিধান রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশের ধারা-৫ এ বলা হয়েছে, যদি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে কোনো হত্যাকাণ্ডে কোনো গণ-অভ্যুত্থানকারীর জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে, তবে তা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে। কমিশন অভিযোগ তদন্ত করবে। তবে যে ক্ষেত্রে নিহত ব্যক্তি কোনো সরকারি বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য ছিলেন, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে বা পূর্বে কর্মরত কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

এ ছাড়া তদন্ত চলাকালে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার বা হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের পূর্বানুমোদন নিতে হবে।

মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে যদি দেখা যায়, অভিযোগে উল্লিখিত হত্যাকাণ্ড বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছে, তবে কমিশন সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। আদালত ওই প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচনা করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করবেন।

আইন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ধারা-৫ মূলত সরকারি বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য হত্যার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে যুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে কোনো জুলাই যোদ্ধা ওই ধরনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, তবে তাঁকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

অন্যদিকে, কমিশনের তদন্তে যদি প্রতীয়মান হয় যে অভিযোগে উল্লেখিত কার্য রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, তবে কমিশন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিতে পারবে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় কোনো আদালতে মামলা বা অন্য কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।

অধ্যাদেশের ধারা-৪ অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে দায়ের করা সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা সরকার কর্তৃক প্রত্যয়ন সাপেক্ষে প্রত্যাহার করা হবে। আদালত এসব মামলায় অভিযুক্তদের অব্যাহতি বা খালাস দেবেন। একই সঙ্গে এসব ঘটনায় নতুন কোনো মামলা দায়েরও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো গণ-অভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে মামলা বা অভিযোগ দায়ের করা হয়, তবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকার নিযুক্ত আইনজীবী সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করবেন। আবেদন গ্রহণের পর আদালত আর কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করবেন না এবং মামলাটি প্রত্যাহারকৃত বলে গণ্য হবে।

২০৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন