সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
মতামত

জাতীয় সংগীতের অংশ ব্যথাতুর সুরে প্রচার, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরদারির দাবি

মনজুর এহসান চৌধুরী
মনজুর এহসান চৌধুরী

সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশের কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে জাতীয় সংগীতের অংশবিশেষকে বাঁশির করুণ সুরে প্রচারের ঘটনায় আইনি ও নৈতিক প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ চরণটি ধীর ও বেদনাবিধুর ভঙ্গিতে বারবার প্রচার করায় জাতীয় প্রতীকের মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে এই ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য—তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন সংস্কৃতি অঙ্গন ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অনেকে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীকের মর্যাদা রক্ষায় ‘Bangladesh National Anthem, Flag and Emblem Order, 1972’–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এ অর্ডার বা এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘিত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অর্ডারের ৪এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি এ অর্ডারের কোনো বিধান বা এ-সম্পর্কিত বিধিমালা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড একসঙ্গে দেওয়ার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সাইবার নিরাপত্তা আইনে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত সম্পর্কে বিদ্বেষ বা কুৎসামূলক প্রচারণার জন্য আলাদা দণ্ডের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট অনেকে মনে করছেন, জাতীয় সংগীতকে নির্ধারিত সুর ও গাম্ভীর্যের বাইরে নিয়ে গিয়ে করুণ বা নাটকীয় আবহ তৈরির চেষ্টা তাকে বাণিজ্যিক ও আবেগ-শোষণমূলক উপাদানে পরিণত করছে, যা জাতীয় ঐক্য ও প্রতীকের মর্যাদার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁদের মন্তব্য, “জাতীয় সংগীতের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সৃজনশীলতার সীমা আছে; রাষ্ট্র নির্ধারিত সুরায়োজন ও পরিবেশনা শিষ্টাচার অমান্য করে ‘অন্যরকম’ আবেগ তৈরি করার প্রচেষ্টা আসলে অমর্যাদার ঝুঁকি বাড়ায়।” ফলে সংশ্লিষ্ট টেলিভিশনগুলো আইনগতভাবে সরাসরি অভিযুক্ত হোক বা না হোক, এই ধরনের প্রচার অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময় জাতীয় সংগীত অবমাননার অভিযোগে তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি অঙ্গনের জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা দ্রুত এ ধরনের প্রচার বন্ধ এবং জাতীয় সংগীত ব্যবহারবিষয়ক নির্দিষ্ট গাইডলাইন স্পষ্টভাবে সম্প্রচার নীতিমালায় যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের সুপারিশ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো একযোগে চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করুক এবং ভবিষ্যতে জাতীয় সংগীত বা তার অংশবিশেষ ব্যবহারের আগে অনুমোদিত সুরায়োজন ও আইনগত শর্ত মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করুক।


লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট। 

২০৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
মতামত নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন