সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
সারাদেশ

বিজয়ের দুই দিন পর শত্রুমুক্ত হয় রাজবাড়ী

সাজিদ হোসেন, রাজবাড়ী
সাজিদ হোসেন, রাজবাড়ী

বৃহস্পতিবার , ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৮:৫৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের অধিকাংশ এলাকা ১৬ ডিসেম্বর শত্রুমুক্ত হলেও বিহারী ও মিলিশিয়া বাহিনীর শক্ত অবস্থানের কারণে রাজবাড়ী জেলা স্বাধীন হয় দুই দিন পর, ১৮ ডিসেম্বর। স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে রাজবাড়ী ছিল অবাঙালি বিহারীদের একটি শক্ত ঘাঁটি।

স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকটি গ্রুপ ভারত থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে রাজবাড়ীতে প্রবেশ করে। সে মাসের শুরুতেই তারা পাকবাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করতে একাধিক সেতু উড়িয়ে দেয় এবং সড়ক ভেঙে দেয়। এরপর পর্যায়ক্রমে রাজাকার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্প দখল করতে থাকে মুক্তিযোদ্ধারা।

২২ নভেম্বর একটি অপারেশন চলাকালে মুক্তিযোদ্ধা খুশী শহীদ হন। পাক সেনা ও তাদের সহযোগীরা তাঁর মরদেহ ট্রাকের সঙ্গে বেঁধে শহরজুড়ে ঘুরিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও উল্লাস করে। এর পরপরই স্থানীয় বিহারী ও রাজাকাররা বাঙালিদের ওপর হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে মেতে ওঠে।

এই পরিস্থিতিতে রাজবাড়ীতে অবস্থানরত মুক্তিযোদ্ধারা যৌথ কমান্ড গঠন করে পাকবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ১৩ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা পাকবাহিনীর সব ইউনিট ঘিরে ফেলেন। পরাজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে পাকবাহিনী ঢাকার দিকে সরে গেলেও প্রায় পাঁচ হাজার সশস্ত্র বিহারীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র যুদ্ধ চলতে থাকে।

এদিকে বিহারীদের প্রধান সৈয়দ খামার ঈশ্বরদী ও সৈয়দপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অস্ত্র চালনায় প্রশিক্ষিত প্রায় ১০ হাজার বিহারীকে রাজবাড়ীর নিউ কলোনী, আটাশ কলোনী ও লোকোসেড কলোনীতে জড়ো করে একটি মিনি ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তোলে।

এই সংকটময় সময়ে যশোর থেকে আকবর হোসেনের নেতৃত্বে ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধা রাজবাড়ীতে এসে সম্মুখযুদ্ধে যোগ দেন। পাশাপাশি মাগুড়ার ক্যাপ্টেন জামান বাহিনী, মাচপাড়ার মতিন বাহিনী, পাংশার মালেক ও কমান্ডার সাচ্চু বাহিনী এবং গোয়ালন্দ মহকুমা কমান্ডার শহীদুন্নবী আলমের নেতৃত্বাধীন বাহিনী সম্মিলিতভাবে শহরের চারদিক থেকে বিহারী ঘাঁটিগুলোর ওপর সাঁড়াশি আক্রমণ শুরু করে।

১৪ ডিসেম্বর থেকে টানা আক্রমণ ও রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে শহীদ হন রফিক, শফিক, সাদিক, শুকুর, দিয়ানত, জয়নাল মোল্লা, আরশেদ আলী, জাহাঙ্গীরসহ অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অবশেষে ১৮ ডিসেম্বর বিকেলে রাজবাড়ী শত্রুমুক্ত হয়।

২৭৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন