ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল এলাকার ফাটল ধরা মাটির নমুনা সংগ্রহ
রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
নরসিংদীর ঘোড়াশালে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া মাটির ফাটল পরীক্ষা করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের একটি বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শন করেছে।
শনিবার বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আ.স.ম ওবায়দুল্লাহর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের এই দলটি ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখে মাটির নমুনা সংগ্রহ করেন।
দলটি ঘোড়াশাল ডেইরি ফার্ম এবং পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এলাকায় ধসে পড়া ও ফাটলধরা মাটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। অধ্যাপক ওবায়দুল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে এসব নমুনা সংগ্রহ করা হলেও পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণের পর ভূমিকম্পের ধরন ও উৎপত্তিস্থলের গভীরতা সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।
শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৭। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূকম্পন কেন্দ্র জানায়, এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দূরে নরসিংদীর মাধবদীতে এবং কেন্দ্র ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। স্থায়ীত্ব ছিল ২৬ সেকেন্ড। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, উপকেন্দ্রটি নরসিংদী সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে।
দেশে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ১০ জন এবং আহত হয়েছেন ছয় শতাধিক। নিহতদের মধ্যে ঢাকা, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দারা রয়েছেন।
এদিকে ভূমিকম্পে নরসিংদীর সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নির্ধারণে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। পৌর প্রশাসনও এ নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তাহের মো. শামসুজ্জামান।
৩২৪ বার পড়া হয়েছে
