সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
সারাদেশ

দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া
আতিয়ার রহমান, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৯:১৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ সেবা গ্রহীতারা নাভিশ্বাস নিচ্ছেন।

সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরটি এখন দালাল ও দুর্নীতিবাজদের আবাসস্থল হিসেবে পরিণত হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকার দলিল লেখকদের সহযোগিতায় সরকারি ফিসের বাইরে লক্ষ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত আদায় করছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী হেবা দলিলের ফিস ৭৮০ টাকা এবং কবলা দলিলের ফিস ৩৮০ টাকা হলেও, এখানে হেবা দলিলের জন্য ৩২২০ টাকা এবং কবলা দলিলের জন্য ৩১২০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন নামে অতিরিক্ত ফিস চাপানো হচ্ছে, যেমন জমির শ্রেণী না থাকলে ২ শতাংশ, বন্টন নামা দলিলে ১ শতাংশ, এক দলিলে দুটি মৌজা থাকলে ২০ হাজার টাকা, ওয়ারিশ সূত্রে ২০ হাজার টাকা এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের নামে সমস্যার কারণে ৭ হাজার টাকা।

তবে সবচেয়ে বড় অভিযোগ সাব-রেজিস্ট্রারের ব্যক্তিগত কক্ষে (খাস কামরা) দলিল করার নামে প্রতি দলিলে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা নেয়া হয়, যা মোট দলিলের ৮০ শতাংশই এই প্রক্রিয়ায় করা হয়। পাশাপাশি পে-অর্ডারের নামে দুর্নীতির আরেকটি দফাও চলছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিকী অভিযোগ পেয়েও তদারকি করতে না পারায় উদ্বিগ্ন। তিনি জানিয়েছেন, “দুর্নীতির এ মাত্রা আমি ভাবতেও পারিনি। আগামী দিনে আমি নিজে সরাসরি উপস্থিত থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেব।”

স্থানীয় সচেতন মহল দৌলতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দুর্নীতির বিরুদ্ধে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

অপরদিকে সাব-রেজিস্ট্রার বোরহান উদ্দিন সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। যারা অভিযোগ করেছে, তারা প্রকৃত দুর্নীতিবাজ।”

এ পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণ দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন কর্তৃপক্ষের প্রতি, যেন দ্রুত দুর্নীতি বন্ধ করা হয় এবং সঠিক সেবা নিশ্চিত করা যায়।

৪৮৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন