সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৬৫০ ছাড়াল, কেপিতে সর্বোচ্চ প্রাণহানি

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ১:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
পাকিস্তানে চলতি মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৬৫০ ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ৩২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১৫৬ জন।

বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার প্রাদেশিক সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর জন্য ৮০০ কোটি রুপি ত্রাণ বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছে। এর বাইরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা বুনের জন্য আলাদাভাবে আরও ৫০০ কোটি রুপি বরাদ্দ করা হয়েছে।

খাইবার পাখতুনখোয়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, কেবল বুনের জেলাতেই ২১৭ জন নিহত ও ১২০ জন আহত হয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানি হয়েছে শাংলা জেলায়, যেখানে নিহত হয়েছেন ৩৬ জন এবং আহত ২১ জন। সেখানে ৯৫টি বাড়ির মধ্যে ৫৫টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।

অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলার মধ্যে রয়েছে মানসেহরা (২৪ জনের মৃত্যু), বাজওর (২১ জন) এবং সোয়াত (১৭ জন)। সোয়াত জেলায় অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হয়েছে— অন্তত ২১৯টি বাড়ি ধসে পড়েছে ও ১৬৩টি গবাদিপশু মারা গেছে।

পাকিস্তান জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) চেয়ারম্যান হাইদার জানান, আগস্টের শেষ পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে এবং সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত আরও কয়েক দফা প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমে সেনাবাহিনীর বিশেষ ইউনিট ও হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমানে বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ৪২৫টির বেশি ত্রাণ শিবির চালু রয়েছে। এসব ক্যাম্পে খাদ্য, চিকিৎসা এবং আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে সরকারি স্কুল ও অন্যান্য ভবনে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।

এনডিএমএ জানায়, সেনাবাহিনীর অ্যাভিয়েশন ঘাঁটিগুলোও জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

৩১৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন