সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
জাতীয়

রাষ্ট্রপতির ছবি সরানো নিয়ে তোলপাড়, নেই কোনো লিখিত নির্দেশনা

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ৯:২৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের একাধিক দূতাবাসে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছবি সরিয়ে ফেলার ঘটনায় শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বিষয়টি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং ছড়িয়েছে নানা গুজব।

তথ্যানুসারে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি মৌখিক নির্দেশনার ভিত্তিতে বিভিন্ন মিশন রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়েছে। তবে এটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—একজন কার্যরত রাষ্ট্রপ্রধানের ছবি শুধুমাত্র মৌখিক আদেশে সরানো কতটা সংগত?

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা দাবি করছেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের "নির্দেশনার" আলোকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও এ পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো লিখিত প্রজ্ঞাপন কিংবা সরকারি আদেশ প্রকাশ করা হয়নি। ফলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মধ্যে সমন্বয়হীনতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

এ বিষয়ে এক উপদেষ্টার ‘আগ্রহের’ কথাও গণমাধ্যমে উঠে এসেছে, তবে তিনি তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন।

রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে ফেলার ঘটনাটি সামনে আসার পর একাধিক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, যদি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিধিসম্মত কোনো প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করত, তবে বিভ্রান্তি, গুজব ও বিতর্ক অনেকটাই এড়ানো যেত।

এ প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে জানান, ‘সরকারি দপ্তরে পোর্ট্রেট ব্যবহার শুরু থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার নিরুৎসাহিত করছে। অলিখিতভাবে "জিরো পোর্ট্রেট নীতি" বজায় রাখা হচ্ছে। তারপরও কেউ কেউ নিজ উদ্যোগে রাষ্ট্রপ্রধানের ছবি ব্যবহার করেছে। তবে সেগুলো সরাতে কোনো লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ সীমিত হয়ে এসেছে। তাই কিছু মহল এখন ছোট ছোট বিষয়কেও অতিরঞ্জিত করে উপস্থাপন করছে।’

তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে সরকারের অবস্থান এখনো কেন আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।

৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন