সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের নতুন ২৫% ট্যারিফ নিষেধাজ্ঞা: ভারতের উপর বাণিজ্যিক চাপ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

বৃহস্পতিবার , ৭ আগস্ট, ২০২৫ ৫:৫৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
২০২৫ সালের ৬ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের উপর নতুন করে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।

এর ফলে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে মোট শুল্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে, যা মার্কিন ইতিহাসে ভারতের উপর সর্বোচ্চ আরোপিত শুল্ক। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ভারতের রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি অব্যাহত রাখাই এই কঠোর পদক্ষেপের মূল কারণ।

এই অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর হবে ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট থেকে এবং প্রাথমিকভাবে তা টেক্সটাইল, গহনা, ওষুধ, কেমিক্যাল, যানবাহনের যন্ত্রাংশ ও চামড়াসহ সাধারণ ভোগ্যপণ্যে প্রযোজ্য হবে। কিছু কৌশলগত খাতে অস্থায়ী ছাড় থাকলেও মোট রপ্তানির একটি বড় অংশ এই শুল্কের আওতায় পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে গত কয়েক মাসের ৫ দফা আলোচনাও সফল হয়নি। মূল বিরোধের কারণ ছিল কৃষিপণ্য, ডেইরি ও স্ট্র্যাটেজিক ট্যারিফ নীতিমালা। একই সাথে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছে যে ভারত রুশ জ্বালানির সবচেয়ে বড় ক্রেতা হওয়ায় এটি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ভারত সরকারের কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। দেশটি একে ‘অন্যায্য ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছে এবং বলেছে যে জ্বালানি নিরাপত্তা কোনো দেশের সার্বভৌম সিদ্ধান্তের অংশ—এখানে কোনো চাপের মুখে ভারত নীতিমালা বদলাবে না।

বিশ্বের অন্যান্য শক্তিধর রাষ্ট্র বিশেষ করে রাশিয়া এই শুল্ক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে অবস্থান নিয়েছে। চীন ও ইউরোপের অনেক দেশ নিজেরাও রুশ তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে, অথচ তাদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর শুল্ক আনা হয়নি—এটি ভারত ইস্যুটিকে একটি ‘দ্বিমুখী আচরণ’ হিসেবে দেখছে।

এই শুল্ক বৃদ্ধির কারণে ২০২৪ সালের মোট $৮৭ বিলিয়ন মার্কিন রপ্তানির অন্তত ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারতের রুপি ও শেয়ারবাজারে ধাক্কা লেগেছে এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছয় শতাংশের নিচে নেমে আসার পূর্বাভাস এসেছে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।

৪২৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন