সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
আন্তর্জাতিক

কেরানির চাকরি, কিন্তু ২৪টি বাড়ি ছাড়াও ৩০ কোটির সম্পত্তির মালিক! 

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মাত্র ১৫ হাজার টাকা মাসিক বেতনে চাকরি করেও ৩০ কোটিরও বেশি সম্পত্তির মালিক এক প্রাক্তন কেরানি—এমন বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে কর্ণাটক লোকায়ুক্তের সাম্প্রতিক দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে।

অভিযুক্তের নাম কালাকাপ্পা নাইদাগুন্ডি। তিনি কর্ণাটক রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড (KRIDL)-এ কেরানির পদে কর্মরত ছিলেন।

লোকায়ুক্তের কর্মকর্তারা সম্প্রতি নাইদাগুন্ডির বাড়িতে হানা দিয়ে আবিষ্কার করেন তার নামে থাকা ২৪টি আবাসিক ভবনের দলিল, ৪০ একর কৃষিজমি, চারটি প্লট, প্রায় ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার (৩৫০ গ্রাম), দেড় কেজিরও বেশি রুপা, দুটি গাড়ি ও দুটি মোটরসাইকেল। এসব সম্পত্তির মালিকানা নাইদাগুন্ডি ছাড়াও তার স্ত্রী ও শ্যালকের নামে রয়েছে।

তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে—নাইদাগুন্ডি ও KRIDL-এর প্রাক্তন এক প্রকৌশলী জেডএম চিনচোলকার মিলে অন্তত ৯৬টি অবকাঠামোগত প্রকল্পের নামে জাল বিল তৈরি করে প্রায় ৭২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। নথিপত্র বিশ্লেষণে এই তথ্য মিলেছে।

এই অভিযানটি কর্ণাটক রাজ্যজুড়ে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ, যার অধীনে ইতোমধ্যেই তদন্তের আওতায় এসেছেন আরও কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে আছেন বেঙ্গালুরুর উদ্যানবিদ্যা বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, জাতীয় সড়ক বিভাগের এক নির্বাহী প্রকৌশলী, চিত্রদুর্গ জেলার হিরিয়ুরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও বিবিএমপির এক কর নির্ধারক।

এই তল্লাশি ও তদন্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিপিআই পরশুরাম কাভাতাগি, ডিএসপি পুষ্পলতা ও অফিসার পিএস পাটিল। তদন্ত এখনও চলমান, এবং নাইদাগুন্ডির বিপুল সম্পদের উৎস ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখছেন কর্মকর্তারা।

৪৪৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন