সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
জাতীয়

বন্ধন ছিন্ন এই সাহসিনী: শিক্ষিকা মেহরীন চৌধুরীর আত্মত্যাগে কেঁদে উঠল জাতি

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫ ৬:৪৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজধানীর উত্তরা, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গত ২১ জুলাই শিক্ষার্থী-কণ্ঠে পাঠরত ক্লাসরুম হঠাৎই পরিণত হয় বিভীষিকার নিদর্শনে—বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান স্কুলের বিল্ডিংয়ে ধসে পড়ে, মুহূর্তেই অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে। এই অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতায় বিপন্ন হয় শত শত শিক্ষার্থীর জীবন।

সেই মুহূর্তে সামনে এসে দাঁড়ান বাংলা ভার্সনের কো-অর্ডিনেটর, প্রাইমারি সেকশনের শিক্ষক মেহরীন চৌধুরী। ক্লাস শেষে ছোট্টদের হাত ধরে গেট পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছিলেন। স্বস্তি ছুঁয়ে যায় ছাত্রছাত্রীর মুখে—কিন্তু অকস্মাৎ আগুন ও ধোঁয়ার ঘূর্ণিঝড়।

 

মেহরীন চৌধুরী ছিলেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়া গ্রামের কন্যা। দেশের পশ্চিম প্রান্তের এক স্কুলেও সম্প্রতি অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন, স্বপ্ন ছিল নিজ গ্রামে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।

 

বিমান বিধ্বস্তের পর মুহূর্তে তিনি দৌড়ে শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে থাকেন—না-ভেবে বুক পুড়িয়ে ২০জন শিশুকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনেন। গুরুতর দগ্ধ শরীর নিয়ে বারবার, বারবার শ্রেণিকক্ষ ও করিডোরে ছোটেন, নিরাপদে বের করেন শিক্ষার্থীদের।

 

শিক্ষার্থীরা পরবর্তী সময়ে বলে—“ম্যাডাম বলছিলেন, দৌড়াও, ভয় পেও না, আমি আছি।”

 

সময়ে শিক্ষার্থীদের বাঁচানোর জন্য নিজের জীবনকে তুচ্ছ মনে করেছিলেন তিনি।

 

একটি সেনা সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান—মেহরীন ম্যাডাম না থাকলে আরো প্রাণহানি ঘটত। নিহত শিক্ষার্থী ছোয়ার পরিবারের ভাষ্য, “ম্যাডাম না থাকলে আমাদের ছোয়া বাঁচত না।”
সবশেষে শতভাগ পুড়ে যাওয়া শরীরে শিক্ষার্থীদের তাড়িয়ে, নিজে বের হতে পারেননি। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে সন্ধ্যায় মারা যান মেহরীন চৌধুরী। স্কুল কাঁদে, এলাকাবাসী শোকাহত—তিনি ছিলেন কেবল মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, দেশের প্রতিটি কোমলমতি সন্তানের জন্য আদর্শ শিক্ষক। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ও নাগরিক সমাজ, সবাই তাঁর আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।
আমরা এই বীর শিক্ষিকার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

 

তাঁর অসামান্য ত্যাগ জাতির চেতনায় চিরকাল জীবন্ত থাকবে—এই হলো এক শিক্ষিকার প্রকৃত পরিচয়।

৪১৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন