সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
ধর্ম

অভিশাপ নয়, সহনশীলতা : ইসলামের দৃষ্টিতে অভিশাপের ভয়াবহতা

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫ ৮:৩৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
আধুনিক সমাজে কথায় কথায় একে-অপরকে অভিশাপ দেওয়া যেন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি রাগের মুহূর্তে বাবা-মা পর্যন্ত সন্তানের জন্য অভিশাপ উচ্চারণ করে ফেলেন।

অথচ ইসলাম এই আচরণকে ঘৃণার চোখে দেখে এবং কঠোরভাবে নিষেধ করেছে।

শরিয়তের দৃষ্টিতে কাউকে অভিশাপ দেওয়া গর্হিত ও গুনাহের কাজ। অভিশাপ মানে কারও অমঙ্গল কামনা করা—যা একটি মুমিনের জন্য সম্পূর্ণ অনুচিত।

হাদিসে কী বলা হয়েছে?
তিরমিজি শরিফে (হাদিস: ১৯৮২) বর্ণিত, সাহাবি সামুরা ইবন জুন্দুব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন— “তোমরা একে অপরকে আল্লাহর লানত, গজব কিংবা জাহান্নামের অভিশাপ দেবে না।”

একইভাবে, আবদুল্লাহ ইবন উমার (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে (তিরমিজি, হাদিস: ২০১৯) রাসুল (সা.) বলেন— “একজন পরিপূর্ণ মুমিন কখনো অধিক অভিশাপকারী হতে পারে না।”

অভিশাপের ভয়াবহ পরিণতি
সহিহ বুখারির (হাদিস: ৫৬২১) একটি হাদিসে অভিশাপকে এমনকি হত্যার সমতুল্য অপরাধ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেন, “যদি কেউ কোনো মুমিনকে অভিশাপ দেয়, তবে তা তাকে হত্যা করার মতোই একটি কাজ।”

এছাড়া, অভিশাপ যদি ভুলভাবে কারও ওপর দেওয়া হয়, তাহলে সেটি ফেরত এসে অভিশাপকারীর ওপরই পতিত হয়।
ইবন আব্বাস (রা.) বর্ণিত হাদিসে (বুখারি: ৫৬১৯) বলা হয়, নবীজী (সা.) একবার এক ব্যক্তিকে বাতাসকে অভিশাপ দিতে নিষেধ করেন এবং বলেন— “যদি কোনো কিছু অভিশাপের যোগ্য না হয়, তবে তা অভিশাপকারী ব্যক্তির দিকেই ফিরে যায়।”

আরেকটি হাদিসে আবুদ দারদা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) অভিশাপের পরিণতি সম্পর্কে বলেন— “অভিশাপ আকাশে উঠলেও সেখানে গ্রহণযোগ্য না হলে তা জমিনে ফিরে আসে। জমিনও গ্রহণ না করলে, তা ডান-বাম ঘুরে, শেষ পর্যন্ত অভিশাপকারীর দিকেই ফিরে যায়।” (মেশকাত, হাদিস: ৪৮৫০)

পবিত্র কুরআনের সতর্কতা: আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন— “তোমরা যদি নিষিদ্ধ কাজের বড় বড়গুলো থেকে বিরত থাকো, তাহলে আমি তোমাদের ছোট ছোট পাপগুলো ক্ষমা করে দেবো এবং তোমাদের এক মহা-মর্যাদার স্থানে প্রবেশ করাবো।” (সুরা আন-নিসা, আয়াত: ১৭৬)


ইসলাম শান্তির ধর্ম। তাই রাগ বা প্রতিশোধপরায়ণতায় কাউকে অভিশাপ না দিয়ে ধৈর্য ও ক্ষমার পথে চলাই একজন প্রকৃত মুমিনের পরিচয়। পার্থিব ও পরকালীন সফলতা নিশ্চিত করতে অভিশাপের মতো গুনাহের কাজ থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।

৩২৩ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
ধর্ম নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন