সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
প্রযুক্তি

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নে চীনা যুদ্ধবিমানের নতুন অধ্যায়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫ ৭:২৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষায় চীনা প্রযুক্তির ওপর আরও বেশি নির্ভর করছে।

বাংলাদেশের জন্য চীন আনুষ্ঠানিকভাবে ১৬টি J-10C যুদ্ধবিমান অফার করেছে, যা দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

J-10C হচ্ছে চীনের নিজস্ব উন্নয়নে তৈরি চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টিরোল ফাইটার, যেখানে রয়েছে আধুনিক AESA রাডার, উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম ও বিস্তৃত অস্ত্রসজ্জা। প্রতিটি J-10C যুদ্ধবিমানের আনুমানিক মূল্য ৪০-৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ফলে ১৬টি বিমানের জন্য মোট খরচ দাঁড়াতে পারে ৬৪০ থেকে ৮০০ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে চীনা J-7/F-7 যুদ্ধবিমান যুক্ত হয় ১৯৯০-এর দশকের শেষ ভাগে। প্রথম দফায় ১৬টি F-7MB, পরে ১৬টি F-7BG এবং ৮টি FT-7B (ট্রেইনার) বিমান সংগ্রহ করা হয়। সর্বশেষ ২০১১ সালে চীনের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ১৬টি F-7BGI যুদ্ধবিমান ও আধুনিক রাডার সরঞ্জামসহ পুরো প্যাকেজের জন্য বাংলাদেশ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করে। যদিও পুরনো চুক্তিগুলোর নির্দিষ্ট খরচের তথ্য প্রকাশিত হয়নি, তবে J-7/F-7 সিরিজের বিমান প্রতি গড় মূল্য ১০-১৫ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ছিল বলে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা ধারণা দেন।

অন্যদিকে, পাকিস্তানও চীনের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে। দেশটি ইতিমধ্যে চীনের JF-17 Thunder ও J-10C যুদ্ধবিমান বহরে যুক্ত করেছে এবং সম্প্রতি চীনের পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার J-35 (FC-31) সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। পাকিস্তান ৩০-৪০টি J-35 যুদ্ধবিমান পেতে যাচ্ছে, যার আনুমানিক খরচ ১.২ থেকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার হতে পারে, বিশেষ ছাড় ও প্যাকেজ চুক্তি অনুযায়ী।

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় চীনা যুদ্ধবিমান দুই দেশের সামরিক সক্ষমতা ও কৌশলগত অবস্থানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জন্য J-10C এবং পাকিস্তানের জন্য J-10C ও J-35—এই চুক্তিগুলো আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ও আধুনিকায়নের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

৭১৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
প্রযুক্তি নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন