সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
শিক্ষা

বাবার লাশ রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাওয়া মারিয়ার এসএসসি পাস

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার , ১০ জুলাই, ২০২৫ ১০:৪১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পরীক্ষার দিন ভোরে হারিয়েছেন প্রিয় বাবাকে। হৃদয়বিদারক সেই মুহূর্তেও নিজেকে সামলে নিয়েছেন মারিয়া আক্তার।

বাবার লাশ বাড়িতে রেখেই এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে যান তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে জানা গেছে, মারিয়া পাস করেছেন।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের গাবুয়া গ্রামের শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারিয়া আক্তার। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অংশ নিয়ে তিনি পেয়েছেন জিপিএ ৩.৮৩। তবে প্রত্যাশামতো ফল না হওয়ায় কান্না থামাতে পারেননি সাহসী এই ছাত্রী।

চলতি বছরের ১০ এপ্রিল ছিল তার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। কিন্তু সেদিনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার বাবা মামুন হাওলাদার। বাবার মৃত্যুশোক নিয়েই পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হন মারিয়া।

মারিয়া জানান, “বাবা সবসময় চাইতেন আমি মানুষ হই। তার স্বপ্ন ছিল আমি ডাক্তার হবো। বাবার মুখটা মনে করে চোখের পানি নিয়েই পরীক্ষায় বসেছিলাম। কিন্তু যেভাবে পড়েছিলাম, সেভাবে ফল হয়নি। কষ্ট হচ্ছে।”

তার ছোট চাচা অলিউল্লাহ বলেন, “ভাই মারা যাওয়ার পর ও একেবারে ভেঙে পড়েছিল। আমরা সাহস দিয়েছি, পাশে থেকেছি। আল্লাহর রহমতে সে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে। আমরা চাচ্ছি, এই ফলাফল নিয়ে ঢাকার ভালো কোনো কলেজে ওকে ভর্তি করাতে। আশা করছি, ইন্টারে সে ভালো ফল করবে।”

ভবিষ্যৎ নিয়ে মারিয়া বলেন, “আমি কোথায় ভর্তি হবো, সেটা চাচা সিদ্ধান্ত নেবেন।”

কেবল একটি পরীক্ষাই নয়, বাবার স্বপ্নপূরণের লড়াইও বয়ে চলেছেন মারিয়া আক্তার। নিজের না-পাওয়া ফলের আক্ষেপের চেয়ে বেশি ভাবছেন বাবার মুখ। তার সেই দৃঢ়তা ও আত্মত্যাগ অনেকের কাছেই হয়ে উঠেছে অনুকরণীয়।

৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
শিক্ষা নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন