সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
জাতীয়

সতর্ক না হলে দক্ষিণাঞ্চলে ডেঙ্গু রূপ নিতে পারে মহামারিতে

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার , ৩ জুলাই, ২০২৫ ৫:১৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আবারও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে ডেঙ্গু সংক্রমণ। খুলনা বিভাগসহ বেশ কয়েকটি জেলা বর্তমানে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলায় এডিস মশার লার্ভা বিস্তারের হার আশঙ্কাজনক। ঝিনাইদহ শহরের ২৭০টি বাড়ির মধ্যে ১৬২টিতে লার্ভা পাওয়া গেছে, যেখানে ব্রুটো ইনডেক্স (BI) ৬০ শতাংশ যা চরম ঝুঁকির ইঙ্গিত। মাগুরার ব্রুটো ইনডেক্স ৫৫.৫ শতাংশ। তবুও এসব জেলায় কার্যকর মশক নিধন কর্মসূচির তেমন দেখা মিলছে না।

জুন-জুলাই মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, যেখানে সাধারণত সংক্রমণের মৌসুম ধরা হয় আগস্ট থেকে ডিসেম্বর। গত এক সপ্তাহে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১১৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৫৭ জন।

চিকিৎসকরা বলছেন, এবারের সংক্রমণে নতুন উপসর্গ যেমন: জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি, বমি এবং অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিচ্ছে। খুলনা মেডিকেল কলেজে ভর্তি থাকা রোগীদের মধ্যে এসব উপসর্গ পরিলক্ষিত হয়েছে। বরগুনা জেলায় ভয়াবহভাবে ডেঙ্গু ছড়ানোর কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে সংরক্ষিত বৃষ্টির পানি। একই রকম পরিস্থিতি খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের উপকূলীয় এলাকাতেও রয়েছে, যেখানে মানুষ ড্রাম, ট্যাংক ও অন্যান্য পাত্রে পানি জমিয়ে রাখে যা এডিস মশার প্রজননের জন্য উপযুক্ত।

খুলনা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার জানান, ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়লেও সিটি করপোরেশনের কার্যকর পদক্ষেপ তেমন দেখা যাচ্ছে না। মশা নিধন কার্যক্রম আগের তুলনায় কমে গেছে বলেও অভিযোগ তার। হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি নিয়েও রয়েছে অসন্তোষ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এবার ডেঙ্গুতে ডেঙ্গু ওয়ান সেরোটাইপ ছড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাজী দিদারুল ইসলাম বলেন, “এই সেরোটাইপ নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র লার্ভিসাইড যথেষ্ট নয়, বরং দরকার সমন্বিত প্রতিরোধ কার্যক্রম।”

তবে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মজিবুর রহমান জানান, সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মশক নিধন ও চিকিৎসা প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের বেশি এবং মারা গিয়েছিলেন ৩৫ জন।

৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন