সর্বশেষ

জাতীয়১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘জনগণের দিন’, তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী পোস্টার ছাপানো বন্ধে ছাপাখানাগুলোকে নির্দেশনা ইসির
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেব : জামায়াত আমির
টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধের পক্ষে নন তারেক রহমান
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে আজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৮৬ হাজার
সারাদেশবেনাপোল বন্দর: এক দিনে ১৫১৩ জন পাসপোর্টধারী পারাপার, ৩৫০ ট্রাক বাণিজ্য
শৈলকুপায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
ফেনীতে মুক্তিপণ না পেয়ে স্কুলছাত্র নাশিত হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড
দীর্ঘ বিরতির পর সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুনরায় শুরু
গোপালগঞ্জে জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনে ককটেল হামলা
২০ বছর পর নওগাঁয় আসছেন তারেক রহমান, ব্যাপক প্রস্তুতি
কুয়াকাটায় ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও পুনর্বাসনের ঘোষণা বিএনপি প্রার্থীর
চট্টগ্রামের রাউজানে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু
গাইবান্ধায় গণভোট উপলক্ষে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত
শেরপুরে নির্বাচনী ইশতেহার বিতরণ মঞ্চে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতা নিহত
আন্তর্জাতিকইরানমুখী আরও মার্কিন নৌবহর, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
খেলাভারত ছাড়াই ২০২৭ সালে পাকিস্তানে দক্ষিণ এশিয়ান গেমস আয়োজনের সিদ্ধান্ত
সারাদেশ

রাজশাহীতে সংরক্ষণের অভাবে বছরে ২০০ কোটি টাকার আমের ক্ষতি

রাজশাহী প্রতিনিধি
রাজশাহী প্রতিনিধি

বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজশাহী অঞ্চলে প্রতিবছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার আম সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ অবস্থায় চাষি ও আড়তদাররা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, ফলের বিশাল এই ক্ষতি রোধে জরুরি ভিত্তিতে আম সংরক্ষণাগার স্থাপন প্রয়োজন।

রাজশাহীর বানেশ্বর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর বিভিন্ন আড়তে দেখা যাচ্ছে, পচে যাওয়া মণকে মণ আম ফেলে দেওয়া হচ্ছে পুকুরে। বেশি গরমে একসঙ্গে আম পেকে গেলেও চাহিদা অনুযায়ী বাজার তৈরি না হওয়ায় বিপুল পরিমাণ ফল অবিক্রীত থেকে যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাট এলাকার আম ব্যবসায়ী নাসির পাটোয়ারী বলেন, “প্রতিবছরই এই সময় পচা আম ফেলতে হয়। এবার ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি।” নওগাঁর ব্যবসায়ী ঝন্টু জানান, ল্যাংড়া, আম্রপালি ও ফজলি আম উৎপাদনে শীর্ষ এ জেলায় প্রচণ্ড গরমের কারণে সবচেয়ে বেশি আম নষ্ট হয়েছে। শুধুমাত্র নওগাঁতেই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় শত কোটি টাকা।

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক সাইফুল ইসলাম হীরক বলেন, “আধুনিক সংরক্ষণাগার না থাকায় আমচাষ ও বিপণনে প্রতিবছরই বড় ক্ষতি হচ্ছে। আমের মতো সম্ভাবনাময় একটি ফল এভাবে নষ্ট হওয়া সত্যিই দুঃখজনক।”

বিকল্প হিসেবে প্রক্রিয়াজাতকরণ হতে পারে সমাধান
ফল গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, “শুধু সংরক্ষণ নয়, আম থেকে জুস, আচার, আমসত্ত্ব বা চকলেট তৈরি করার মতো প্রক্রিয়াজাত প্ল্যান্ট স্থাপনেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানও তৈরি হবে।”

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. ইয়াসিন আলী বলেন, “প্রক্রিয়াজাত করা গেলে আমের বাজারমূল্য অনেকটাই বাড়বে, চাষিরাও লাভবান হবেন।”

প্রশাসনিক পর্যায়ে উদ্যোগ
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল জানান, “আম সংরক্ষণের জন্য হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট ও শুকানোর পদ্ধতি চাষিদের শেখানো হচ্ছে। এতে তারা দীর্ঘ সময় আম সংরক্ষণ করতে পারবেন।”

আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা
২০২৫ সালের আম মৌসুমে কৃষি বিভাগ রাজশাহীতে ২ লাখ ৬০ হাজার, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ লাখ ৮৬ হাজার এবং নওগাঁয় ৪ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাবে এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদনের একটি বড় অংশই নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।

২৯৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন